| বিস্তারিত |
কৃষক হত্যা মামলায় ডিবির ইন্সপেক্টর পুলিশ লাইনে ক্লোজ
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী আলীনগর গ্রামে ডিবি পুলিশের গুলিতে কৃষক নুরুল ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান আসামি ডিবির ভারপ্রাপ্ত ইন্সপেক্টর এসআই সৈয়দ বেলায়েত হোসেনকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।
এদিকে, নিহত নুরুল ইসলামের স্ত্রীর দায়েরকৃত হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় ধর্মঘর ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল ইসলাম কামালের নেতৃত্বে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ নিহতের পরিবারের সদস্যরা সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এনামুল হক মোস্তফা শহীদের সঙ্গে তার শায়েস্তাগঞ্জের বাস ভবনে দেখা করে এ দাবি জানান।
এ সময় মন্ত্রী তাদের বক্তব্য শুনে মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত করার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।
এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিললুর রহমান সাথে কথা হলে তিনি অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারের ক্লোজ হওয়ার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন।
উল্লেখ্য যে, গত রোববার রাত প্রায় পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের আলীনগর গ্রামের নুরুল ইসলামের বাড়িতে ডিবি পুলিশের এস আই বেলায়েতের নেতৃত্বে সাদা পোশাকের একদল পুলিশ স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ছায়েব আলী মুন্সির ছেলে আতাউর রহমান ও ইয়াকুব আলীর ছেলে শাহীন মিয়াকে নিয়ে অভিযান চালায়। এ সময় নুরুল ইসলামের ছেলে জেবুকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় নুরুল ইসলাম তার ছোট ছেলে মিন্টু মিয়া, প্রতিবেশী এনামুল হক কারণ জানতে চায়। এ নিয়ে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে ডিবি পুলিশের ছোড়া গুলিতে নুরুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হয়। তাকে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত নুরুল ইসলামের স্ত্রী জরিনা খাতুন জানান, আমার নিরাপরাধ স্বামীকে ডিবি পুলিশ নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করেছে। আমি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
নিহতের কন্যা কণ্ঠশিল্পী শামসুন্নাহার তানিয়া টুনি জানায়, আমার বাবা ছিলেন একজন সহজ সরল ও নিরীহ প্রকৃতির লোক। কেন আমার বাবাকে ডিবি পুলিশ গুলি করে হত্যা করল তা আমরা কোন অবস্থাতেই মেনে নিতে পারছি না। আমি আমার পিতার খুনীদের ফাঁসি চাই।
দি-এডিটর/আব্দুল হালীম/এমএআর/০৩/০৯/১০ | |
|
|