|
| বিস্তারিত |
দিনাজপুর জেএমবির সামরিক কমান্ডার ও এহসার সদস্যের জামিন নামঞ্জুর
নিষিদ্ধ ঘোষিত ইসলামী জঙ্গি সংগঠন-জেএমবি রাজশাহী বিভাগীয় সামরিক কমান্ডার রফিকুল ইসলাম ও এহসার সদস্য শহিদুলের জামিন আবেদন নাকচ করে বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আসামীদ্বয়কে জেল হাজতে প্রেরণ এবং পলাতক ২জন আসামীর বিরুদ্ধে পুলিশ সদর দপ্তরের মাধ্যমে গ্রেফতারী পরওয়ানা কার্যকর করার আদেশ দিয়েছেন। মামলার পরবর্তী তারিখ ২৭ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার দুপুর ২ টায় দিনাজপুরের বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ সরকার মোঃ আবুল মনসুর-এর আদালতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ইসলামী জঙ্গী সংগঠন-জেএমবির রাজশাহী বিভাগীয় সামরিক কমান্ডার রফিকুল ইসলাম ওরফে জোবায়ের ওরফে রাসেল ওরফে জসিম (২৮) ও এহসার সদস্য শহিদুল ইসলাম (৫৫) কে পুলিশের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আদালতে হাজির করে। আসামীদের পক্ষে জামিন শুনানী করা হলে বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন। পলাতক ২ জন আসামীর বিরুদ্ধে পুলিশ সদর দপ্তরের মাধ্যমে গ্রেফতারী পরোয়ানার কার্যকর করার আদেশ দিয়ে মামলার পরবর্তী তারিখ ২৭ অক্টোবর নির্ধারন করেন। পুলিশ বিকেল সাড়ে ৩ টায় দুইজন জঙ্গি সদস্যকে জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘোড়াঘাট থানার এসআই আব্দুস সালাম জানান, তদন্ত শেষে গ্রেফতারকৃত দুইজন জঙ্গি সদস্যসহ ৪জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে অভিযোগপত্র দাখিল করলে মামলাটি বিচারের জন্য জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত হতে ইতিপূর্বেই জেলা ও দায়রা জজ আদালতে প্রেরণ হয়। মামলার অপর ২জন আসামী জেএমবি সদস্য পলাতক রয়েছে। পলাতক জেএমবি সদস্য কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানার সাদীপুর গ্রামের রেজাউল করিমের পুত্র সোহেল মাহফুজ ওরফে আবু তহির (২৭) এবং দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার কশিগাড়ি গ্রামের সেকেন্দার আলী পুত্র শাহিন হোসেন (২৫)। উল্লেখ্য যে, গত ২০০৮ সালের ৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় জয়পুরহাট র্যাব ক্যাম্প-৫ এর অভিযানে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার কশিগাড়ী গ্রামের কোরবান আলীর পুত্র জেএমবির এহসার সদস্য শহিদুল ইসলাম (৫৫)র বাড়ী তল্লাশী করে বিপুল পরিমান বোমা তৈরীর উপকরণ, জেহাদী বই, লিফলেট, গামবুটসহ তাকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় ঘোড়াঘাট থানায় সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেফতারকৃত শহিদুলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাজশাহী বিভাগের জেএমবির সামরিক কমান্ডার নীলফামারী সদর উপজেলার সুখধনডাঙ্গা গ্রামের মোর্তুজা আলীর পুত্র রফিকুল ইসলাম ও সহযোগী শাহিন ও মাহাফুজ উদ্ধারকৃত আলামতগুলো গ্রেফতারকৃত শহিদুলের বাড়ীতে রেখে গেছে। পরবর্তীতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানা পুলিশের হাতে রফিকুল গ্রেফতার হলে ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ তাকে অত্র মামলায় গ্রেফতার করে। স্বরূপ বক্সী বাচ্চু, দিনাজপুর/এমআরএম/৮-৯-১০ | |
|
|